হাত পরিষ্কার রাখুন, ত্বকও কোমল রাখুন

Spread the love

প্রতিবার হাত ধোয়া ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরই হাতে এমন কিছু ব্যবহার করতে হবে, যা আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। সেটি হাতের কাছে থাকা যেকোনো তেল হতে পারে। হতে পারে যেকোনো ময়েশ্চারাইজার। শিশুদের ক্ষেত্রে তাদের উপযোগী লোশন, জলপাই তেল, এমনকি নারকেল তেলও ব্যবহার করা যেতে পারে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের পর যদি কারও হাত শুষ্ক হয়ে যাবার প্রবণতা দেখা যায়, একইভাবে আর্দ্রতা ধরে রাখার উপযোগী কোনো সামগ্রী হাতে দিয়ে নেবেন। এমনটাই জানালেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল।

হাতের আর্দ্রতা ধরে রাখতে হবে

আর্দ্রতা ধরে রাখার কথা জানালেন বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ বিউটি কেয়ারের রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচিও। তিনি বলেন, সারা দিনে যখনই হাত শুষ্ক অনুভব করবেন, তখনই হাত ময়েশ্চারাইজ করুন। কাপড় ধোয়া বা বাসন পরিষ্কার করার মতো কাজ করার সময় পানিরোধী গ্লাভস ব্যবহার করতে পারেন।

হাতের শুষ্কতা দূর করতে

* কুসুম গরম জলপাই তেল ৫ থেকে ১০ মিনিট হাতে মালিশ করতে পারেন প্রতিদিন।

* সমপরিমাণ জলপাই তেল এবং চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে ৫ মিনিট ধরে হাতে মালিশ করতে পারেন সপ্তাহে ৩ দিন। মালিশ করার পর গরম পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে।

* বেসন এবং টকদই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। হাতে লাগান। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি হাত থেকে মৃত চামড়া দূর করে দিতে সাহায্য করবে। সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহার করুন।

* এক চা-চামচ গ্লিসারিন, আধা চা-চামচ লেবুর রস এবং সামান্য গোলাপজল মিশিয়ে দিনে দুবার হাতে লাগাতে পারেন।

* প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে কুসুম গরম নারকেল তেল ৫ মিনিট ধরে চক্রাকারে হাতে মালিশ করুন। ভালো ফল পেতে হাতে গ্লাভস পরে নিতে পারেন এরপর। রোদের ক্ষতিকর প্রভাব দূর করতেও এটি বেশ কার্যকর। একই পদ্ধতিতে বাদাম তেলও ব্যবহার করা যায়।

* দুই চা-চামচ লেবুর রস, দুই চা-চামচ মধু এবং দুই চা-চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিয়ে মিশ্রণটি মালিশ করুন ১০ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহার করুন। হাতের কালো দাগ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও সাহায্য করবে।

Add Comment